16th August 1946 Direct action Day75 বছর আগে আজকের দিনে কলকাতায় কি হয়েছিল সেটা পুরো বিশ্ব জানে। The Great Calcutta Killing নিয়ে না হয় আপনারা একটু পড়াশোনা করে নিন।আজকের দিনে আমাদের পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী “খেলা হবে” দিবস পালন করছেন। বছরের এতগুলো দিন থাকা সত্বেও আজকের দিনটা কেন ? এক বিশেষ সম্প্রদায়কে খুশি করার জন্য? মাননীয়া জানেন না যে আজকের দিনে হাজার হাজার হিন্দুদের হত্যা করা হয়েছিল, আহত ছিলেন বেশ কয়েক হাজার, ঘর ছাড়া হয়ে পড়েছিলেন লক্ষাধিক হিন্দু। আজকের দিনটি মাননীয়া বেছে নিলেন “খেলা হবে” দিবস হিসাবে।শুনছি নাকি একটা প্রদর্শনী ফুটবল ম্যাচ হবে।”বাংলা বনাম ভারত”ঠিক কী বোঝাতে চাইছে আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ??DirectActionDay #GreatCalcuttaKillings

Trendy Cotton TshirtsFabric: CottonSleeve Length: Long SleevesPattern: StripedMultipack: 1Sizes:XL (Chest Size: 42 in, Length Size: 29 in)L (Chest Size: 40 in, Length Size: 28 in)M (Chest Size: 38 in, Length Size: 27.5 in)Country of Origin: India

কে কে এই শাক চেনো ? শহরের লোকজন চিনবেই না । গ্রামেরও সবাই চিনবে না । আমিও কি ছাই ভালভাবে চিনি ? আন্দাজ এ চিনলাম । বাজারে গিয়ে আজ প্রথম থেকেই মুড ভাল ছিল । চাষীকে জিজ্ঞাসা করলাম , কাকা এটা পাট শাক না ? উনি বললেন হাঁ। এক লুটি দাও । এক লুটিতে কি হবে ? দু লুটি নাও । এখন আর মনে করতে পারছি দু লুটি ১০ টাকা নিলো না ২০ । বাড়ি ফেরার পথে সারা রাস্তা উত্তেজিত ছিলাম পাট শাক নিয়ে । গিন্নী কি বলে । গিন্নী খুশিই হল । গ্রামের মেয়ে । ছোটবেলা অনেক খেয়েছে । আমাদের বাড়ি এসে আর কোন দিন খায় নি । তবে শোনাল , আজ ছেলেমেয়েরা সাদা ভাত খেতে চাইছে না । স্পেশাল ডে তে স্পেশাল কিছু । গিন্নী আজ খুসকা পোলাও করছে। কি আর করা । খাবার সময় বললাম , সোমবার দুপুরে তো আর খাওয়া হবে না । রাতে বাড়ি ফিরে আর কি ভাল লাগবে । জিজ্ঞাসা করলাম , পাট শাক রাঁধতে জানো । বলল , রাঁধা কিছু না । বাছা টা ব্যাপার । কাল কাজের বুবু বেছে দেবে বলেছে । পাট শাক কেনার পর থেকেই ছোটবেলার সব স্মৃতি মনে পড়ছে আর হারিয়ে যাওয়া সেই দিন গুলির জন্য মন গুমরে উঠছে । আমাদের দেশের বাড়ি ছোটবেলা পাট হতে দেখেছি । খিড়কির পাশেই আমাদের একটা জমি ছিল । কে যে জমিটার নাম রেখেছিল পাহাড় , জানি না । ওটাই আমাদের ছোটদের খেলা করার জায়গা ছিল । একটু কিছু হলেই কেউ হয়ত বলত – ওই পাহাড়ে খেলতে যাবি । আমরা ছোটরা ওমনি সব ছুটে পাহাড়ে । ছোটবেলা কয় বছর আর গ্রামে ছিলাম ? ওই পাহাড় এর জন্য মন এই মুহূর্তে ব্যাকুল । কত কত বছর ওই পাহাড় আর দেখি নি । এখন হয়ত জঙ্গল হয়ে গেছে ।

কর্ম ব্যস্ততার মাঝে দক্ষিণ কোরিয়ার মাটিতে আমাদের(আমি আর রুমমেট) এ বছরের সবজি বাগানের কিছু ছবি শেয়ার করলাম!কর্মের পাশাপাশি প্রতিবছর নিজেদের একটু পরিশ্রমের বিনিময়ে আলহামদুলিল্লাহ পুরো সিজন জুড়ে টাটকা সবজি খাইতে পারি!

Badavi Linga 🔱 Hampi , Karnataka 💓Next to Yoga Lakshminarasimha is a magnificent monolithic linga made of black stone, about 3 meters tall, standing on a circular pedestal.It is believed that the temple has been in existence since the period of the Vijayanagara Empire.The name Badavilinga is a combination of two words – Badva and Linga. In Kannada Badva means poor and Linga represents Shiva. Legend has it that the Shiva Linga placed inside the temple was commissioned by a poverty-stricken peasant woman. Hence the temple came to be known as Badavilinga Temple.It is housed in a cubical chamber roofed with flat slabs. There is a single opening in front of the chamber. The lower part of the Linga remains in water throughout the year. The source of the water is through a small canal drawn from the Tungabhadra river.The superstructure though present is in a dilapidated condition. An interesting thing to note here is during the day time, sunlight enters through the opening in the ceiling and floods the Shiva Linga with light.The Badavilinga Temple proves its sanctity and extreme protection by Lord Shiva himself clearly. As the temple in spite of destruction, that befell Hampi several centuries ago escaped all devastations. The amazing fact is that though many holy sculptures were razed out, this Shiva Linga stands intact even today. The temple roof was destroyed by fanatic invaders, But the inner walls of the shrine, surrounding the Shiva Linga, have escaped any severe damage.📷 @pandurangasharmab1902 sir (Instagram) #ancient #positivevibes #hampi #shiva

#ileanadcruz ♥❤…….#southactress #indianbeauty #bollywood #bollywoodactress#selfie #supercute #indianactress #bollywoodbeauty #bollywoodqueen #bollywoodstyle #bollywoodstar #bollywoodsongs #photochallenge #pretty#challenge #cutechallenge #beautifulchallenge #crushchallenge #queenchallenge #Queen #bollywoodmovies #smile #smilechallenge #beautiful #eyes #cute #beauty #crushqueen ❤️

দেশমাতৃকাকে পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত করা থেকে ধর্মীয় আধ্যাত্মবাদের স্বরূপ অন্বেষণ সব ক্ষেত্রেই ঋষি শ্রী অরবিন্দ ছিলেন অগ্রগণ্য। তাঁর জন্মদিবসে জানাই শ্রদ্ধা।#SriAurobindo

🇮🇳 🇮🇳 HAPPY INDEPENDENCE DAY 🇮🇳 🇮🇳 শুভ স্বাধীনতা দিবস 🇮🇳 🇮🇳A small effort to draw INDIAN FLAG using Light-Painting Photography. ( লাইট-পেইন্টিং ফটোগ্রাফি ব্যবহার করে ভারতীয় পতাকা আঁকার একটি ছোট প্রচেষ্টা। )This Independence Day let’s take a pledge to protect the peace and unity of our great nation. Happy 75th Independence Day! 💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓💓

75 তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সমগ্র দেশবাসীকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন 🙏❤️🇮🇳আমরা গর্বিত আমরা ভারতবাসী 😌🇮🇳❤️সারে জাহা সে আচ্ছাহিন্দুস্থান হামারা ✊🇮🇳I_Love_My_India ❤️🇮🇳Happy_Independence_Day ❤️🇮🇳

আইএনএস ভিক্রান্ত ফ্যক্ট লিস্ট 🇮🇳🇮🇳🇮🇳🇮🇳 ⚓⚓⚓⚓♦ ওজনে ৪০,০০০টন আইএনএস ভিক্রান্ত ভারতের তৈরি প্রথম ক্যরিয়ার। ♦ ক্যরিয়ার নির্মান ওয়ারশিপ বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে সব থেকে কমপ্লেক্স প্রোজেক্ট। ভারত ক্যরিয়ার নির্মানে সক্ষম অর্থাৎ ভার্চুয়ালি ভারত যেকোনো জাহাজ বানাতে সক্ষম। ♦ ভিক্রান্ত ৭৬শতাংশ ভারতের তৈরী।♦ এর স্টিল স্পেশাল ভাবে তৈরি করেছে ডিআরডিও যা পৃথিবীর অন্যতম সেরা ম্যটেরিয়াল। এই স্টিলের নাম DMR‐ 249B। যা একধারে যেমন নির্মানে সহজ আর কম খরচে তৈরি করা যায় তেমন এতে রাস্টিং এর সমস্যা কম। ♦ এটি তৈরি করতে ১২বছরে ২৩,০০০কোটি টাকা খরচ হয়েছে। ♦ জাহাজে ব্যবহারের জন্য যে পরিমানে ভিদ্যুৎ উৎপাদন হয় তার মোট পরিমান গোপনীয়। কিন্তু ভিক্রানের অফিসারের বয়ান অনুযায়ী এই পরিমান বিদ্যুৎ দিয়ে কোচী শহরের অর্ধেকাংশ আলোকিত করা যাবে। ♦ এতে ২,৬০০কিমির কেবল (তার) ব্যবহার হয়েছে। ♦ যে পরিমান স্টিল ব্যবহার হয়েছে তাতে তিনটি আইফেল টাওয়ার বানানো যাবে। ♦ এই জাহাজে মেডিকেল কমপ্লেক্স সহ দুটি অপরেশান থিয়েটার আছে। ♦ মোট ২০০০ক্রু মেম্বার থাকবে জাহাজে। ♦ শিপটিকে নিউক্লীয়ার থ্রেস হোল্ডের সীমায় রাখা হয়েছে। অর্থাৎ কোনো কারনে এই জাহাজ যদি ডুবিয়ে দেয় কোনো দেশ সেক্ষেত্রে ভারত পরমানু অস্ত্রের ব্যবহার সেই দেশের বিরুদ্ধে করতে পারে। ♦ মোট ডেক ১০,০০০বর্গ মিটারের। বলতে পারেন ফ্লোটিং আইল্যন্ড♦ মোট ৩০টি ফিক্সড উইং ফাইটার আর রোটেরি উইং (হেলি) ক্যরি করতে পারে। ♦ ফাইটার টেকঅফ করতে দুটি রানওয়ে আছে একের পর এক দুটি ফাইটার উড়ানের জন্য। ♦ দুটি রেডার আছে, একটি এস ব্যন্ডের ELM-2248 MF-STAR (৪৫০+কিমি) আর একটি এল ব্যন্ডের RAN-40L এয়ার সার্ভেইল্যন্স রেডার যার রেঞ্জ ৪০০কিমি। হ্যাঁ ফায়ার কন্ট্রোল রেডারের রেঞ্জ এয়ার সার্ভেইল্যন্সের চেয়ে বেশি। ♦ ৬৪টি ১০০কিমি রেঞ্জের বারাক-৮ এয়ার ডিফেন্স (ব্যক্তিগত ভাবে আমার সব থেকে পছন্দের এয়ার ডিফেন্স) আর ৪টি একে-৬৩০ CIWS!♦ স্যটেলাইট কভিউনিকেশানের সাথে সি ব্যন্ডেল লাইন অফ সাইট কমিউনিকেশান লিংক আছে। ♦ শক্তি ইলেকট্রনিউক ওয়ারফেয়ার সুইট। ♦ ভিক্রান্তের ক্যরিয়ার ব্যটেল গ্রুপ তৈরি হলে তাতে দুটি কোলকাতা বা ভিশাখাপত্তনাম ক্লাস ডেস্ট্রয়ার আর তিনটি স্টেল্থ ফ্রিগেট সহ দুটি সাবমেরিন থাকার কথা। এই পরিমান ফায়ার পাওয়ারের সাথে ভিক্রান্ত খুব শহজেই পৃথিবীর ৮০ শতাংশ দেশের নেভাল ফ্লিটকে গুড়িয়ে দিতে পারে। ♦ এটি একবার জ্বালানী ভরে ১৫,০০০কিমি পথ পাড়ি দিতে পারে। ♦ সর্বোচ্চ গতী ৫৬কিমি প্রতি ঘন্টা। . | #ADMIN_DARK |♠© The Great Indian Defence News In Bengali.

🐾 রাইপুর গ্রামের সিংহ বাড়ী : ( The Haunted House)বোলপুর শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ইলামবাজার যেতে একটি গ্রাম পরে যার নাম রাইপুর। কালের প্রবাহে সৃষ্টি হওয়া ইতিহাস ও তাঁর গল্পের জন্য এই গ্রাম আজ অনেকেরই আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। রায় পরিবারের নাম অনুসারে এই গ্রামের নাম রাইপুর হয়েছে। তবে এই গ্রামে রায় পরিবারের পরবর্তী জমিদাররা ছিলেন সিংহ পরিবারের লোক।আমি সকালবেলা উঠে বোলপুর সোনাঝুরি অঞ্চলের রাস্তায় বেরিয়ে পড়ি দেখি একটি টোটো আসছে। জিজ্ঞাসা করলাম এখানে একটা ভগ্নপ্রায় রাজবাড়ী আছে না? সে বলল আছে এখান থেকে প্রায় 8 10 কিলোমিটার দূর হবে। আমি বললাম চলো ।আজকে ওখানেই যাব । প্রাকৃতিক শোভা দেখতে দেখতে আমি চললাম রায়পুর রাজবাড়ী যা শুনেছিলাম ভগ্নপ্রায় এবং বেশ গা ছমছমে। পৌঁছে গিয়ে দেখি এটি রাজবাড়ী নয় জমিদার বাড়ি। এই জমিদার বাড়ি সিংহ পরিবারের লোক দ্বারা তৈরি।১৭৭০ সালে রাইপুর চৌধুরীদের নিকট হতে জমিদারী ক্রয় করে লালচাঁদ স্থানীয় জমিদার রূপে পরিগনিত হয়। লালচাঁদের তিন পুত্র ছিল পঞ্চানন, রামকিশোর ও শ্যামকিশোর। ১৭৭৩ সালে লালচাঁদ ৬০ বিঘা জমির উপর তিন ছেলের জন্য তিনটি মহল্লা বাড়ি তৈরি করেন। এগুলিতে মোট ১২০ টি ঘর ছিল। এই বংশের সর্বশেষ খ্যাতিসম্পন্ন ব্যক্তি ছিলেন স্যার সত্যেন্দ্র প্রসন্ন সিংহ যিনি হাজার ১৯২০ সালে বিহার ও উড়িষ্যার গভর্নর পদে নিযুক্ত হন।কালের প্রবাহে এই রাজবাড়ী বা জমিদার বাড়ি এখন জরাজীর্ণ ভগ্নপ্রায় অবস্থায় রয়েছে। ভেতরে প্রবেশ করে যখন আমি চারদিকে ঘুরে দেখতে লাগলাম তখন দেখতে পেলাম যে এটা মোটেই নিরাপদ নয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে ছাদ ও দেওয়ালের অংশ ভেঙে পড়ছে। ভেতরটা দিনের বেলাতেও বেশ অন্ধকার। অনেকেই একা প্রবেশ করতে ভয় পাবে। চারদিকে চামচিকার আস্তানা। শুনলাম কিছু ভৌতিক সিনেমার ও সিরিয়ালের শুটিং এখানে হয়েছে। ভূতের ভবিষ্যৎ সিনেমার শুটিং নাকি এখানেই হয়েছে। এ বিশাল অট্টালিকায় অনেকেই বলেন যে অশরীরী কিছু রয়েছে। তবে আমি কিছু দেখতে পাইনি বা অনুভব করিনি। তাই ধরেই নেওয়া যায় ব্যাপারটা গুজব। হ্যাঁ তবে ভয় পাওয়ার মত পরিবেশ কিন্তু রয়েছে। সেখানকার কিছু ছবি এখানে দিলাম।

. #শুভ_বিশ্ব_আদিবাসী_দিবস”গাছ লাগান প্রাণ বাঁচান”স্লোগানটা শুধুমাত্র পোষ্টার লাগানোই রয়ে গেল ; আমরা হয়তো গাছ লাগানোর চেয়ে পোষ্টারই লাগিয়ে ফেলেছি বেশি।কেটেছি নির্বিচারে গাছ,আমাদের পরম বন্ধু আমাদের পিতা যিনি আমাদের খাবার,দিয়ে,জল দিয়ে, ওষুধ দিয়ে,বাড়িদিয়ে,পোষাক দিয়ে লালন করলেন তাঁদের কাছে আমাদের পিতৃঋণ অস্বীকার করলাম কাটলাম তাদের ধ্বংস করলাম।নগর গড়লাম ,কারখানা গড়লাম দুশো তিনশো বছরের বৃক্ষ পিতামহকে ছেদন করলাম। প্রকৃতিও তার ভারসাম্য রক্ষা করা জন্য ব্যবস্থা করেনিলেন মহামারি দিয়ে।হয়তো এর ফল আগামীতে আরো কঠোর রূপে আসতে চলেছে।নিজ কর্ম ফলে হারিইলাম এ লঙ্কা পুরি।এবার আসি আসল বিষয়ে দীর্ঘ দিন জঙ্গলমহলের আদিবাসী পরগানায় যাতায়াত ও থাকার ফলে সাঁওতাল সহ বিভিন্ন উপজাতি সম্প্রদায়ের সাথে একটা গভীর যোগসূত্র তৈরি হয় সে তাদের বাড়িতে থাকার মেঠো গন্ধ হোক বা পিঁপড়ের ডিমের চাটনি সহযোগে ভাত খাওয়া হোক,মাটির কাছে থাকার মাটির গন্ধ মাখার এক বিস্তৃত সুযোগ হয়েযায়। বস্তুত যার আশির্বাদ স্বরূপ পেয়েছি জঙ্গল মহলের সেই সব আদিবাসী ও সমাজের বিভিন্ন পরপ বা উৎসব কে।বাহা বঙ্গা, স্থান ভেদে শারুল , হয় মাহ্ মরে, প্রভৃতি পরব।সেই পরবে উপস্থিত থেকে খুব কাছ থেকে দেখেছি এই পূজোর প্রধান উৎস হল বৃক্ষ অর্থাৎ গাছকে পূজো করা।গাছকে রক্ষা করা।সারাদিন শালগাছের নীচে, গাছকে পুজোকরা হয় বিভিন্ন উপাচারে নৈবেদ্য সাজিয়ে শালগাছের ফুল পাতা প্রভৃতিদিয়ে-হেসাঃ মা চটেরেজানিনা গঁসায় তুদেদয় রাগেকানবাড়ে মা লাড়েরেজা গঁসায় গোৎরোৎ জয় শাহেদা।সারাদিন পূজোর পর সন্ধ্যা থেকে সাররাত ধামসা মাদল নিয়ে মহুয়া মদ খেয়ে চলে নাচ গান,বাহা শব্দের অর্থ ফুল এই উৎসবটা মূলত ফাল্গুন চৈত্র এ মাসে হয়ে থাকে।সাঁততাল জনজাতির মূল জীবিকা হল শালপাতা তোলা এবং থালা বানানো ও কাঠ সংগ্রহ।এই বাহা উৎসবে শালফুলে পূজো করার পর ই তারা গাছে হাত দেবার অনুমতি।সারা ডুঙরি জুড়ে বাড়িতে বাড়িতে় স্বজন আসে উৎসব এর আবহ গড়েওঠে।সব চেয়ে প্রাচীন শালগাছটিকে পূজোর পর ওই এলাকাটি চিহিৃত করা হয় এবং ওই এলাকার গাছ পরম্পরা গত ভাবে কেউ কাটতে পারবেনা।এভাবে এক একটি জঙ্গল রক্ষা করা হয়।একই ভাবে মাটিকেও পুজো করা হয় যা আমাদের ফসল দেয় খাদ্য দেয়। এবং চোরা শিকারিদের হাত থেকে জঙ্গলকে বাঁচাতে বনরক্ষা বাহিনী তৈরি করেছে তারা নিজ উদ্যোগে পাহারা দেয় বন।যদিও সরকারি উদ্যোগে এখন প্রচুর গাছ কাটা হয় কারণ ছাড়াই। গ্রামের মানুষের সাথে লড়াই শুরু হয়।প্রকৃতপক্ষে একটা গোটা জনজাতি নির্লিপ্ত ভাবে শতাব্দী ধরে পরিবেশ রক্ষা দায় একাকাঁধে নিয়ে বেরাচ্ছে।আমার শহরে আধুনিক মানুষ যারা সভ্য ও শিক্ষিত বলে নিজেদের দাবী করি তারা জঙ্গল কেটে ফ্ল্যাট বানিয়ে পরিবেশ নষ্ট করছি।তথচ এই কাছে এগিয়ে আসার ভূমিকা অনেক আগেই তাদের নিতে হতো।শিক্ষা ও সচেতনতার যে পুঁথি গত বিদ্যার কাছে হারিয়ে যায় ওই আদিবাসী মানুষ গুলোর প্রকৃতি থেকে পাওয়া শিক্ষা,মাটির মূল্যবোধের কাছে বারবার পরাজিত হয় মেকি রঙ করা সভ্যতার পোশাক। যশোর রোডের দুপাশে বহু শতাব্দী প্রাচীন শিরীষ গাছ গুলো কেও আমরা রেয়াত করিনি।অথচ এই ভূখন্ডের আদি বাসিন্দা যারা তারাই থাকলো ‌জঙ্গলকে বুকে‌ করে। কোনো মূর্তিকে পুজো করে নয়,গাছকে‌ ঈশ্বর রূপে পূজো করে গাছ না কেটে। পরিবেশের বন্ধু হয়ে।ওরাই প্রকৃত শিক্ষিত।আজ ওদের কথা বলতে বড় ইচ্ছে হলো,যারা রোজই থাকে, হোকনা একটা দিন তাদের জন্য। ওদের জন্য বলতে ইচ্ছে করছে আজ–“হে স্মৃতি বৃক্ষ আমাদের ক্ষমা করো।আমাদের পিতৃঋণের দায়ভার বহন করতে আমরা অক্ষম।মানুষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক।চেতনার রঙে রেঙে উঠুক পান্না সবুজ মন!আমার বলতে ভাললাগে এই সব সভ্য অথাকথিত শিক্ষিত মানুষদের-তুমি যতটা আধুনিকতার স্রোত হাঁটবে-আমি ঠিক ততটাই নিজস্বতায় প্রাচীন পন্থী হবো”!—– ✍️ #মলয়_পাল 🙏জোহার 🙏৯ই আগস্ট শুভ বিশ্ব আদিবাসী দিবসের শুভেচ্ছা সবাইকে।

গ্ৰামেরগল্পআদিবাসীনারীGGAW21১) বাঁকুড়া জয়পুর , পৌষ পার্বণে ঢেঁকিতে চার।কুটে , ভেলিগুড় দিয়ে নারকোলের পুর বানিয়ে পাটিসাপটা বানিয়ে আদিবাসী রমণীদের বিকিকিনি।২) বাঁকুড়া শুশুনিয়া পাহাড়ের পাদদেশে আদিবাসীদের তৈরি পাহাড়ের পাথর কেটে খোদাই করে নানা মূর্তি , ধূপদানী , প্রদীপ , রঙবেরঙের পাথরের থালা বাটি। ৩) শান্তিনিকেতনের খোয়াইয়ের ধারে সোনাঝুরির হাটে ধামসা মাদলের তালে আদিবাসী রমণীদের নাচ। এটাই ওদের প্রতিসপ্তাহে রোজগারের পথ।

আমার বেগনভেলিয়া গাছ টা তে প্রচুর ফুল হলো। তারপর ডাল গুলো পুরো মুড়িয়ে ছেঁটে দিয়েছিলাম। এখন নতুন পাতা গজানোর পর এই রকম ( শেষের ছবি টি) । এখন কি করতে হবে? শুধু দুবেলা জল দিই।কি সার কিনে এনে দেবো? প্যাকেট সার , দোকানে বললেই পাওয়া যাবে এরকম নাম বললে ভালো হয়। অগ্রিম ধন্যবাদ।

#ঘরের_কাছে_আরশিনগর🌿গ্রামের বাড়ির মাঠ , পুকুরঘাট , ধান জমি , শ্যালোর জল , পানের বরোজ , শীতের সব্জি ওঠা মাঠ আর সবচে প্রিয় গোলাপ ক্ষেত …. আমাদেরই একটুকরো জমিতে সীতা কাকা গোলাপ চাষ করে …. মাঠে যখন গেছি ওরা বাপছেলেতে মিলে ফুল তুলতে ব্যস্ত …. রাতের গাড়িতে ফুল হাটে যাবে …. গোধূলির আলো মাখা চোখে যতদূর চাই লাল-হলুদ-গোলাপি হরেক রঙের থোকা থোকা ফুলে ফুলে আলো আলো চারধার …. নিকানো লেবুর বাগান ফুলের মিষ্টি গন্ধে উতাল …. কাঁচা পাকা ধানেরা হাওয়ার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে সাতকাহনী গল্পের আসরে ভুলেছে সময়ের হিসাব …. অস্তমিত সূর্যের চা রং আলো ওম জড়িয়ে দিচ্ছে ওদের পিঠে …. সর্ষের ক্ষেতগুলোতে সবে মাত্র ফুল এসেছে …. সুন্দর পৃথিবীতে চোখ মেলে বেজায় খুশি বাসন্তী হলুদ ফুলেরদল …. শীতের গ্রাম এমনি আদরে ধরা দিলো সেদিন …. সূর্যের শেষ আলোস্নানে ভেসে যাওয়া চরাচর দিনের খেরোখাতা ভরিয়ে কত্ত কী যে দিয়ে গেলো ….🌿সেনডাঙ্গা , উত্তর চব্বিশ পরগণা ….

সত্যি অবাক করার মতো পেইন্টিং। এঁকেছেন রংপুরের ছেলে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের চিত্রকলা, প্রাচ্যকলা ও ছাপচিত্র বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নুর আলম। ২০১৫ সালে স্নাতক ও ২০১৬ সালে একই বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটে এক বছর মেয়াদি বিএড কোর্স সম্পন্ন করেন। নুর আলমেরবাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার নটাবাড়ী গ্রামে।

Help post আমার এই এলোভেরা গাছটি বারান্দার বাহিরে ঝুলিয়ে লাগিয়েছি এখন বৃষ্টির পানি পড়তেছে তাতে কি গাছের কোনো ক্ষতি হবে ???? আর কি করলে এর প্রতিকার পাওয়া যাবে প্লিজ হেল্প মি

Pray for our ancient friends safety and peace in Greece. 🙏♥️🇬🇷🇬🇷 🇪🇬🇪🇬God bless them all in Algeria , Tunisia & Greece 🙌💚

পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযান চালিয়ে ৯ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে সল্টলেকের ২ ভুয়ো কল সেন্টার থেকে।#saltlake#kolkata

Hockey team’s bronze at #Tokyo2020 will provide fillip to our National Sport & motivate a generation to take up the stick & dream of becoming an Olympic medalist.For that, India thanks Manpreet Pawar, Harmanpreet Singh 13 Rupinder Pal Singh Nilakanta Sharma & entire team!

উপরের সাদা কালো ছবির এই ভদ্রলোককে চিনতে পারছেন? একটু ভেবে দেখুন তো! শনিবার সোনার ছেলে নীরজ চোপড়া যখন ৮৭.৫৮ মিটার জ্য়াভলিন ছুড়ছেন, তখন মুখে মাস্ক পরা এই ভদ্রলোক ভেসেছিলেন স্মৃতি রোমন্থনে। ছবির এই ভদ্রলোকের নাম ইউয়ি হোহন। নীরজ চোপড়ার বর্তমান কোচ। ইউয়ি হোহন, মানব ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি যিনি জ্যাভলিনে ১০০ মিটারের গণ্ডি টপকেছিলেন। ১০৪.৮ মিটারের সেই থ্রোয়ের পর অলিম্পিক এবং বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সের কর্তাব্যক্তিরা ভীষণ চিন্তায় পড়েন। ভবিষ্যতে কেউ যদি আরও বেশী ছোড়েন তাহলে একইসাথে চলতে থাকা অন্যান্য ইভেন্টের কারো গায়ে লাগতে পারে। এর পরেই জ্যাভলিনের কিছু পরিবর্তন করা হয়। জ্যাভলিনের সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি সামনের দিকে সরিয়ে আনা হয়। এর ফলে জ্যাভলিনে আর কোনোদিনই অতদূর যেতে পারবেনা।সেই থেকে ইউয়ি হোহন হলেন জ্যাভলিনে Eternal Record Holder। যাঁর রেকর্ড আর ভাঙা সম্ভব হবেনা কারো পক্ষে। জার্মানির খেলোয়াড় ইউয়ি নিজের সেরা সময় অলিম্পিকে নামতে পারেননি, কারণ পূর্ব জার্মানির বাসিন্দা ইউয়ি ১৯৮৪-র সামার অলিম্পিকস খেলতে পারেননি। যেহেতু পূর্ব জার্মানি সেবার অলিম্পিক বয়কট করে। ইউয়ির না পাওয়ার দুঃখ ভুলিয়ে দিলেন আজ তাঁর ছাত্র নীরজ চোপড়া। গ্যালারিতে বসে তিনিও আবেগমথিত চোখে দেখলেন সেই মুহূর্তকে।Courtesy Sanat sen#ম্যাচরেফারী

বাংলাদেশের প্রতিটা গ্রামে ৫জি প্রযুক্তি নির্ভর মোবাইল সেবা নিশ্চিত করতে এই প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে…

এর থেকে আমাদের বিমানদারা একটা বিশ্বশান্তি বৈঠক ডাকতে পারতো এবং সেখানে মাননীয়া কে আমন্ত্রণ করতে পারত।বিমান দার দলের সদস্য সংখ্যা এই NGO থেকে বেশি। ব্যাপারটা অনেকটা সেই নির্মল মাঝির পুরস্কার পাওয়ার মত। 😂😂

১৯০৮ সালের ৩০শে এপ্রিল রাত্রি সাড়ে-আটটায় মোজাফফরপুরে বোমা পড়ল-বাঙ্গলায় প্রথম বোমা।বোমাটা ফাটল একটা ফিটন গাড়ীর মধ্যে।গাড়ীখানা চুরমার হয়ে গেল।সইস,কোচম্যান দু’জনেই জখম হল।গাড়ীর মধ্যে ছিলেন মোজাফফরপুরের শ্বেতাঙ্গ উকীল মিঃ কেনেডির স্ত্রী ও কন্যা।মিস কেনেডি এক ঘণ্টার মধ্যেই মারা গেলেন,মিসেস কেনেডি দু’দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পরে মারা যান।বোমা নিক্ষেপ করেছিলেন তরুণ ক্ষুদিরাম এবং তার এক সহযোগী। মোকামঘাট স্টেশনে একটি কাণ্ড ঘটে গেল।মোজাফফরপুরে যখন বোমা ফাটে, তখন ক্ষুদিরামের সঙ্গে ছিল সহযোগী দীনেশ।বোমা ফাটবার অব্যবহিত পরেই ক্ষুদিরাম ও দীনেশ আলাদা পথে পদব্রজে মোকামঘাট স্টেশনের দিকে রওনা হন।পরদিন সকাল আটটার সময়ে মোজাফফরপুর থেকে পনের মাইল দূরে ওয়ানি স্টেশনে এক মুদীর দোকানে উনিশ বছরের তরুণ ক্ষুদিরাম ধরা পড়ে।ক্ষুদিরামকে গ্রেপ্তার করেছিল ফতে সিং ও শিউপ্রসাদ সিং নামে দু’জন কনস্টেবল। ক্ষুদিরামের দেহ তল্লাশি করে একটা ভারী রিভলবার এবং ত্রিশটা কার্তুজ পাওয়া যায়। অন্যদিকে দীনেশ ২রা মে ধরা পড়ার উপক্রম হলে নিজেই নিজের মস্তক ও কন্ঠনালীতে গুলী করে আত্মহত্যা করেন।এই দীনেশ আর কেউ নন,প্রফুল্ল চাকী।আসলে মুজাফফরপুরের অত্যাচারী জেলা জজ ডি.এইচ..কিংসফোর্ডকে হত্যা করার জন্য যুগান্তর দলের পক্ষ থেকে ক্ষুদিরাম এবং প্রফুল্ল চাকীকে পাঠানো হয়েছিল।কিন্তু ভুলবশত তাদের বোমার আঘাতে মিস কেনেডি এবং মিসেস কেনেডি নিহত হন।ম্যাজিস্ট্রেট মিঃ ব্রেটহাউড ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট জবানবন্দীতে ক্ষুদিরাম সব কিছুই স্বীকার করল।ক্ষুদিরাম জানান,” আমার আসল উদ্দেশ্য ছিল কিংসফোর্ডকে হত্যা।”তারা মোজাফফরপুরে এসে কিশোরীমোহন ব্যানার্জির ধর্মশালায় আশ্রয় গ্রহণ করেছিল।ক্ষুদিরামের বিরুদ্ধে মামলায় সরকারপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মানুক ও পাটনার সরকারি উকীল বিনোদবিহারী মজুমদার। স্থানীয় উকীল কালিদাস বসু স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে ক্ষুদিরামের পক্ষ সমর্থনে দাঁড়ান।পরে রংপুরের কুলকোমল সেন ও নগেন্দ্রলাল লাহিড়ী এবং সতীশচন্দ্র চক্রবর্তী নামক আর একজন উকীলও ক্ষুদিরামের পক্ষ সমর্থন করেন।বাবু নাথুনিপ্রসাদ ও বাবু জনকপ্রসাদ নামে দু’জন এসেসরের সাহায্যে মামলার বিচার করা হয়।এই মামলায় চব্বিশ জন সাক্ষ্য দান করেছিল।১০ ই জুন কিংসফোর্ডের গাড়োয়ান কালীরাম এবং তহশীলদার খান,ফয়েজুদ্দীন ও ইয়াকুব আলি-এই তিনজন কনস্টেবলের সাক্ষ্য নেওয়া হল।১১ ই জুন সাক্ষ্য দিল ফতে সিং ও শিউপ্রসাদ মিশির।এজলাসে ক্ষুদিরামকে কিছু প্রশ্ন করা হয়ঃপ্রশ্ন- তুমি কি কাউকে দেখতে চাও?উঃ- আমি একবার মেদিনীপুর যেতে এবং আমার দিদি ও তার ছেলেমেয়েকে দেখতে চাই।প্রশ্ন- জেলে তোমার ওপর কিরকম ব্যবহার করা হচ্ছে?উঃ- মন্দ নয়।জেলের খাবার খারাপ বলে আমার স্বাস্থ্যের অবনতি হচ্ছে,তবে আমার প্রতি অন্য কোনও খারাপ ব্যবহার করা হয়নি।আমাকে দিনরাত নির্জন সেলে আটকে রাখা হয়।একা থাকা অত্যন্ত ক্লান্তিকর হয়ে পড়েছে।প্রশ্ন- তোমার মনে কি কোনও ভয় হয়েছে?উঃ- না,ভয় পাব কেন(হাস্যমুখে)?প্রশ্ন-তুমি কি গীতা পড়েছ?উঃ- হ্যাঁ, আমি গীতা পড়েছি।ম্যাজিস্ট্রেট ব্রেটহাউটের নিকট ক্ষুদিরাম যে বিবৃতি দিয়েছিল,তা ১২ ই জুন তাকে পড়ে শোনান হল।১৩ ই জুন সরকারপক্ষের সওয়াল শেষ হলে কালিদাস বাবু ক্ষুদিরামের পক্ষে সওয়াল করতে উঠলেন।কালিদাস বাবু ক্ষুদিরামের তরুণ বয়সের প্রতি জজের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বললেন যে,অপরের দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েই সে এই কাজ করেছে।সওয়াল শেষ হলে জজ এসেসরদের মামলা বুঝিয়ে দিলেন।এসেসররা ক্ষুদিরামকে দোষী বলে ঘোষণা করলেন।জজ তাদের সঙ্গে একমত হয়ে ক্ষুদিরামের প্রাণদণ্ডের আদেশ দিলেন।রায় দিয়ে জজ ক্ষুদিরামকে জিজ্ঞাসা করলেন যে,তাকে যে দণ্ড দেওয়া হয়েছে তা সে বুঝতে পেরেছে কি?উত্তরে ক্ষুদিরাম বলে যে,হ্যাঁ সে বুঝতে পেরেছে(অবিচলিতচিত্তে)।এরপরে হাইকোর্টে আপীল করা হয়েছিল।আপীল করেছিলেন বিখ্যাত আইনজীবী নরেন্দ্রনাথ বসু।১৩ ই জুলাই বিচারপতি ব্রেট ও বিচারপতি রাইভস আপীল অগ্রাহ্য করে মৃত্যুদণ্ডই বহাল রাখলেন।১১ই আগস্ট ভোর ছ’টায় মোজাফফরপুর জেলে🙏🙏🙏💐💐💐 ক্ষুদিরামের ফাঁসি হল।আজ সেই ১১ ই আগস্ট, বিনম্রচিত্তে ভারতবীর ক্ষুদিরাম বসুকে স্মরণ করবার দিন।✍️✍️✍️ সন্দীপ মুখোপাধ্যায়। কৃতজ্ঞতা স্বীকার- শ্রী সুধীরকুমার সেন।

The real legend Congratulations to the little girl and the Egyptian queen, the smartest girl in the world The brilliant girl of Egypt: Nour Layth Walid 12 years old, she won first place in a competition, the smartest child in the world She was able to solve 235 questions in 8 minutes and passed 2,000 of the smartest kids in the world and took first place in the Malaysia-based Aqila math competition. Knowing that last year she won first place in literature and poetry May God protect you and protect you and multiply your fellows, pride of Egypt and the Arabs.🇪🇬

The ancient Shivling at Gomukh Kund in Chittorgarh Fort, Rajasthan receives continuous water flow akin to an abhishekam.At times the water rises to cover the entire Shivling..!The Gaumukh Kund is one of the several water boies of the Chittorgarh Fort. It receives a continuous flow of water to this day.The kund is considered a natural spring and is so named owing to the cow shaped mouth which serves water to the reservoir.

ও মা গো ট্রু লাভ!!!!!! শুটিং চলছেএতো নাটক না করে যেই টাকাটা আজ খরচ হলো এটা যদি ক্ষতিগ্রস্ত জনগনের হাতে দেওয়া হতো তারা উপকৃত হতো…..😁😂😂🙏

🔱🔱🙏Om Namah Shivaya 🙏🔱🔱Yogeshwar Temple at Patora dam,Nuapada, Real odisha, BHARAT (India) 🚩On the bank of river jonk is place of uncommon scenic charms. Engirdled on all sides by green clad hills.It holds in its bosom and irrigation project . This is the Dam site of the Upper Jonk Irrigation project situated at a distance of 20km from the Dist Hqr Nuapada . This place is also famous for YOGESWAR TEMPLE .On the left of the dam down the slopes of hill sprawals4 a replica of the Brundaban Garden . Recline on the velvety grass and enjoy nature in its aesthetic .Follow- Vedic Temples ‘वैदिक मंदिर’ ॐ for more 🧡#odisha #odishatourismofficial #odishagram #incredibleindiaoffical #exploreindia #nuapada #travelife #patoradam #odishatourism #real_odisha #india #architecturephotography#worldwidehindutemples #sanatandharma #sculpture #omnamahshivaya

*বীর শহীদ ক্ষুদিরাম বসুর আত্মবলিদান দিবসে কাঁথিতে ক্ষুদিরাম বসুর পূর্ণ অবয়ব মূর্তিতে মাল্যদান করে শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন বিরোধী দলনেতা মাননীয় শ্রী শুভেন্দু অধিকারী মহাশয়—*

Sculptures at the Hoysaleswara Temple, Karnataka, India. The temple was built on the banks of a large artificial lake and sponsored by King Vishnuvardhan of the Hoysala Empire. Read more: https://www.ancientpages.com/2021/06/21/hoysaleswara-temple-great-supporter-of-most-powerful-traditions-of-hinduism/

ভদ্রলোক স্কুল লেভেলে ভালো হকি খেলতেন। দুন স্কুলের হকি টিমের এই দুর্দান্ত গোলকিপারটি গোল হয়তো করেন নি কিন্তু নিশ্চিত গোল অনেক বাঁচিয়েছেন। ভারতীয় হকি টিমের পিছনে দাঁড়িয়ে, নিঃশব্দে সেই ভদ্রলোকই আরেকবার ভারতীয় হকিকে নিশ্চিত গোল খাওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেলেন। ৭৪ বছরের বৃদ্ধ, দুন স্কুলের প্রাক্তন গোলকিপারটির নাম নবীন পাটনায়েক। হ্যাঁ, ঊড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েক। ‎২০১৭-র পরে ভারতীয় হকি স্পন্সরশিপের অভাবে ধুঁকছিল। ততদিনে ভারতীয় হকির “মৃত্যু” ঘোষণা হয়ে গেছে তাই স্পনসররা সবাই ক্রিকেটের পিছনে ছুটছে। সেই দুর্দিনে এগিয়ে এসেছিলেন একমাত্র নবীন পাটনায়েক। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি ঘোষণা করে দেন পরবর্তী ৫ বছরে ভারতীয় মেন্স এবং ওমেন্স হকি টিমের সব খরচ বহন করবে ঊড়িষ্যা সরকার। এছাড়া ১৫০ কোটি টাকা খরচ করা হবে হকির ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টের জন্য। ‎এক সাংবাদিক সে ঘোষণা শুনে প্রশ্ন করেছিলেন ঊড়িষ্যার মতো গরিব রাজ্যর পক্ষে এই বিপুল খরচ একটু বাড়াবাড়ি নয় ? তাও আবার হকির মতো একটি “মৃতপ্রায়” খেলায় ! নবীনবাবু উত্তরে বলেছিলেন “আমি তো হকিতে ইনভেস্ট করছি না। আমার ইনভেস্টমেন্ট ভারতীয় ক্রীড়া প্রেমী যুবক-যুবতীদের ভবিষ্যতে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা আমাকে হতাশ করবেন না।” ‎হতাশ করেননি মনজীৎ সিং, রানী রামপালরা। হতাশ করেননি ঊড়িষ্যার ছেলে মেয়েরাও। অলিম্পিকে সাড়া ফেলে দেয়া ভারতীয় হকির পুরুষ এবং মহিলা দলের ভাইস ক্যাপ্টেন, দুজনেই ঊড়িষ্যার – বীরেন্দ্র লাকরা এবং সবিতা পুনিয়া। ‎শুধু ১৫০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করেই থেমে যাননি নবীন পাটনায়েক। নিজের উদ্যোগে আরো ১০০ কোটি টাকার স্পনসরশিপ জোগাড় করে এনেছেন। রাউরকেল্লায় ২০,০০০ দর্শকের জন্য হকির একমাত্র স্টেডিয়ামটি তৈরী করছেন। টাটা গ্রুপের সঙ্গে কোলাবোরেশনে ভুবনেশ্বরে বানিয়েছেন ভারতে হকির একমাত্র হাই পারফরমেন্স সেন্টারটি। কলিঙ্গ হকি কমপ্লেক্সে ২০০ সেরা হকি প্রতিভা এবং সারা দেশে ২৫০০ উঠতি হকি খেলোয়াড়ের ট্রেনিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছে ঊড়িষ্যা সরকার। ২০১৮-র হকির ওয়ার্ল্ড কাপ, ২০১৪-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হয়েছিল ঊড়িষ্যায়। ২০২৩-এর হকি ওয়ার্ল্ড কাপও হবে ঊড়িষ্যায়।‎অলিম্পিকে তিন বারের সোনা জয়ী পাকিস্তান হকি টিমের এখন করুন অবস্থা। তারা অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করতে পারে না। পাকিস্তানের সোনা জয়ী এক প্রাক্তন হকি প্লেয়ার গতকাল দুঃখ করে বলেছেন “আমাদের দেশে যদি একজন নবীন পাটনায়েক থাকতেন !” ‎ভাগ্যিস আমাদের একজন নবীন পাটনায়েক আছেন। আর ভাগ্যিস তিনি ছোটবেলায় হকি খেলতেন – ক্রিকেট নয় ! ভারতীয় হকির পুনর্জাগরণের “কবীর খান” তিনিই। আমাদের ফোর্থ পজিশন, ব্রোঞ্জ মেডেল গুলো হয়তো আরেকটু ঘষলেই সোনা, রুপো হয়ে যাবে !‎চাক দে, ইন্ডিয়া ! 🇮🇳🇮🇳 —- © আশাভরী সেন।

সাগর শুকিয়ে মরুভূমি হয়! আপনি তো কোন ছার!কি দেখছেন – মরুভূমিতে জাহাজ পড়ে আছে…? !ছবিটি কাজাকিস্তান এর অ্যারাল সাগরের।। এক সময় এখানে বিশাল সাগর ছিলো, নাম ছিলো- অ্যারাল সাগর। যার আয়তন ছিলো ৬০ হাজার বর্গ কিলোমিটার। সময়ের সাথে সাথে সেই বিশাল সাগর শুকিয়ে মরুভূমি হয়ে গেছে।যারা নিজের পদ মর্যাদা ( নেতৃত্ব) নিয়ে প্রচন্ড দম্ভ করে, অহংকার করে ,তাদের এই ছবিটি দেখে শিক্ষা নেওয়া উচিত । ছেলেবেলায় নিশ্চয়ই পাঠ্যপুস্তকে পড়েছিলেন -” বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র। ” এই মরু প্রান্তরের কাছ থেকেও শিক্ষা নিন।শুনুন, সময় উত্তাল উদ্দাম বিস্তীর্ন সাগরকেও শুকিয়ে মরুভূমিতে পরিনত করে দেয়। আর আপনারা যারা নিজের ক্ষমতা, অর্থ, পদ মর্যাদা, নেতৃত্ব, শারীরিক সৌন্দর্য, বংশ পরিচয় নিয়ে দম্ভ করেন, অহংকার করেন। আপনারা যারা নিজের ক্ষমতা, অর্থ, প্রভাব প্রতিপত্তি কাজে লাগিয়ে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টায় মেতে ওঠেন তাদেরও মনে রাখা প্রয়োজন যে- আপনার সময়ও ফুরিয়ে আসবে একটা সময়। আপনার পজিশন থেকে একটা সময় আপনাকে সরতেই হবে। এভাবেই সাগর থেকে মরুভূমিতে পরিনত হবেন আপনিও। তখন আপনি কী করবেন???ভাবুন, ভাবুন! ভাবা প্রাকটিস করুন……(সংগৃহীত) plese save

অনুপ্রেরণার শক্তি অনেক। অনুপ্রেরণা এবং চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে সুনাম অর্জন করা পার্থবাবু যেতেই ব্যান্ডেজ হাওয়া ( মাথা ফেটে গেছিলো কিন্তু)।সায়নী দেবী যেতেই আবার ব্যান্ডেজ। উফফ… Magic পুরো। চিকিৎসার এই ninja technic একমাত্র SSKM এই দেখা যায়। নারোদা খ্যাত মনীষীদের ক্ষেত্রেও দেখেছিলাম। CBI ধরতেই অসুস্থ হয়ে ভর্তি হয়েছিল। তৃণমূল বলেই সম্ভব। (সোর্স : তৃণমূলের নেতা নেত্রীদের টুইট দেখে নেবেন)

A beautiful depiction of Vishnu as Varaha avatar rescuing Bhu Devi from the depths of the ocean.@Chennakeshava temple, Belur, Karnataka State, BHARAT (India) 🚩📸 Shankar Adisesh Ji#art#india#belur#temple#sculpture#karnataka#architecture#incredibleindia#karnatakatourism

A spectacular bronze figure of Kali, Tamil Nadu, Chola dynasty (850-1100 CE), Chipault Period, 12th century, at the @museeguimet (acc. MA 12294). By : @southasianartnyc#kali #devi #chola #bronze #goddess #hindu #indianart #aouthasianart #antiquity #museum #paris #masterwork

দূরত্ব যদি ভালোবাসার গভীরতা বাড়িয়ে দেয়, তবে আমি দূরেই থাকতে চাই।অনেক অনেক দূরে ….আপন জনেরা যদি আমাকে আপন ভাবতে কূন্ঠা বোধ করে, তবে গোটা পৃথিবীটাকেই আপন বানিয়ে ফেলবো।”কেউ না কেউ, কখনো না কখনো স্মরণ করবে”…. 💖✨ — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 🙏🌸~ ছবিতে রবি ঠাকুরের কিছু অমর সৃষ্টি 🙏❤️🌼🎨: সুব্রত ঘোষ

#HelpPost Aam gacher tob e hoyeche egulo ki gachh?dekhte sundar lage bole felini.Keu chaile diteo pari.Location : behala

এই ভদ্রলোককে চিনতে পারছেন? একটু ভেবে দেখুন তো! শনিবার সোনার ছেলে নীরজ চোপড়া যখন ৮৭.৫৮ মিটার জ্য়াভলিন ছুড়ছেন, তখন মুখে মাস্ক পরা এই ভদ্রলোক ভেসেছিলেন স্মৃতি রোমন্থনে। ছবির এই ভদ্রলোক জার্মানির খেলোয়াড় ইউয়ি হোহন। নীরজ চোপড়ার বর্তমান কোচ। ইউয়ি হোহন, মানব ইতিহাসের একমাত্র ব্যক্তি যিনি জ্যাভলিনে ১০০ মিটারের গণ্ডি টপকেছিলেন। ১০৪.৮ মিটারের সেই থ্রোয়ের পর অলিম্পিক এবং বিশ্ব অ্যাথলেটিক্সের কর্তাব্যক্তিরা ভীষণ চিন্তায় পড়েন। ভবিষ্যতে কেউ যদি আরও বেশী ছোড়েন তাহলে একইসাথে চলতে থাকা অন্যান্য ইভেন্টের কারো গায়ে লাগতে পারে। এর পরেই জ্যাভলিনের কিছু পরিবর্তন করা হয়। জ্যাভলিনের সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি সামনের দিকে সরিয়ে আনা হয়। এর ফলে জ্যাভলিনে আর কোনোদিনই অতদূর যেতে পারবেনা।সেই থেকে ইউয়ি হোহন হলেন জ্যাভলিনে Eternal Record Holder। যাঁর রেকর্ড আর ভাঙা সম্ভব হবেনা কারো পক্ষে।

#epf #forexchange Location Behala , bagulaআমি নর্মাল ভেবে নিয়েছিলাম কিন্তু এখন এটা অদ্ভুত কালার এর ফুল ফুটছে অনেক চারা হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে ভাবছিলাম হয়তো বদলাবে রংটা বদলাচ্ছে না প্রচুর চারা আছে

চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিরলস পরিশ্রমে এই রাজ্যে বর্তমানে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। করোনা মোকাবিলায় নিজেদের জীবন বিপন্ন করে যাঁরা অক্লান্ত লড়াই করে চলেছেন তাঁদের কুর্নিশ জানাই। কোভিডের তৃতীয় তরঙ্গ মোকাবিলায় প্রশাসন তৎপর, আমাদের সবাইকে সদা সতর্ক থাকতে হবে। রাজ্যবাসীর কাছে আমার আবেদন আপনারা প্রশাসনের সাথে সহযোগিতা করুন ও কোভিডবিধি মেনে চলুন। এই পরিস্থিতিতে একে অপরের দিকে বাড়িয়ে দিন সাহায্যের হাত। আজ নবান্নে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলা সংক্রান্ত গ্লোবাল অ্যাডভাইসরি কমিটির বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডঃ জিষ্ণু দাস, জেভিয়ার প্রসাদ রাও, সিদ্ধার্থ দুবে, ডঃ সুকুমার মুখার্জি, অধ্যাপক অভিজিৎ চৌধুরী প্রমুখ। আজকের বৈঠকের কয়েকটি মুহূর্ত।

This 1,500-year-old Cave in India was Carved out of a Giant Boulder.This is Lomas Rishi Cave, one of several man-made Barabar Caves. The Barabar Hill Caves ( बराबर, Barābar) are the oldest surviving rock-cut caves in India, dating from the Maurya Empire (322–185 BCE), some with Ashokan inscriptions, located in the Makhdumpur region of Jehanabad district, Bihar, India, 24 km (15 mi) north of Gaya.The cave of Lomas Rishi is probably the most famous of the caves of Barabar, because of its beautifully carved door. It is on the southern side of Barabar granite hill, and is adjacent to Sudama cave, which is on the left. Lomas Rishi consists of two rooms: a rectangular room measuring 9.86×5.18m, and a circular, semi-hemispherical room 5m in diameter, which is accessed from the rectangular room by a narrow rectangular passage.This cave has an arched facade that probably imitates contemporary wooden architecture. On the periphery of the door, along the curve of the architrave, a line of elephants advances in the direction of stupa emblems. This is the characteristic form of the “Chaitya arch” or chandrashala, to be an important feature of architecture and sculpture in the rock for many centuries. It is clearly a stone reproduction of wooden buildings and other plant materials.

‘জল জীবন মিশন’ দ্বারা দেশের প্রতিটি ঘরে পরিশোধিত পানীয় জল পৌঁছে দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে আজ মেদিনীপুর লোকসভার অন্তর্গত কেশিয়াড়ী বিধানসভায় খাজরা এলাকায় MPLAD এর অর্থের মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে পানীয় জল পৌঁছানোর প্রকল্পের উদ্বোধন করা হল।

||| গঙ্গাসাগর |||কথায় আছে…সব তীর্থ বারবার গঙ্গাসাগর একবার। এখন যাতায়াতের সুবিধার জন্য প্রায় সারাবছরই গঙ্গাসাগর যাত্রা করা যেতে পারে।বাইক রাইড করে পাহাড় দর্শন হয়েছে আমার অনেকবার,বাড়ির এত কাছে হওয়া সত্বেও কোনদিন যাওয়া সম্ভব হয়ে ওঠেনি। তাই আজ হাতে সময় নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম গঙ্গাসাগরের উদ্দেশ্যে। এই বছর লকডাউন এর পরে এখন গঙ্গাসাগরের কি অবস্থা, কি কি নিয়ম মানতে হচ্ছে তা নিজের চোখে দেখে এলাম। তার কিছু মুহূর্ত আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম। আমার ইউটিউব চ্যানেল এ গঙ্গাসাগর যাত্রার সম্পূর্ণ বিবরণ দেওয়া আছে। আশা করি অনেকের উপকারে লাগতে পারে। শেষে একটা কথা বলি এখন যাতায়াতের এত সুযোগ সুবিধা পাওয়ার জন্য মনে হয় এখন আর সেই প্রবাদ বাক্যটা নেই। এখন বলা ভালো…… |||| সব তীর্থ একবার,গঙ্গাসাগর বারবার ||||YouTube- https://youtu.be/6d1sClgcTZw#bengalwheels

TokyoOlympics2021 #Updates ভ্রমণ পরিযায়ী পরিবারের পক্ষ থেকে সোনার ছেলে টোকিও অলিম্পিকে স্বর্ণ পদক বিজয়ী নীরজ চোপড়াকে জানাই অনেক শুভেচ্ছা আর অভিনন্দন।১৩ বছর পর অলিম্পিক থেকে ভারতে সোনা এলো।টোকিওয় ভারতের রূপকথার দিন। ১৩ বছর পর অলিম্পিক্সে সোনা পেল ভারত। টোকিও অলিম্পিক্সে ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড বিভাগে ভারতের প্রথম সোনা। আর ব্যক্তিগত বিভাগে দ্বিতীয়। এই জয় ভারতীয় সেনাবাহিনীর জয় ও বটে।কারণ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে উনি সুবেদার পদে নিয়োজিত। জ্যাভলিন থ্রোয়ে সোনা জয় নীরজ চোপড়ার।tokyoolympics #goldinolympics #nirajchopra87.58M 🔥🔥Neeraj Chopra brings home the much awaited Gold 🥇 for 🇮🇳 in his debut Olympic Games.The gigantic effort made sure India has best ever medal haul in the #olympics.Congratulations champ Neeraj Chopra, the whole nation is proud of you 💯

Ajke amr ma er jnmo din tai jnno #apnadhaba the special thali order kore6ilm.Menu teh chilo:Starter -Paneer TikkaHara bhara kebabChicken reshmi kebabTangdi kebab (1 pc)Aloo vajaPatal VajaPapad Main Course -Dhania MurghMutton kashaPrawn malai curryTawa fish masalaPaneer butter MasalaDal MakhaniKashmiri Aloo dumMixed vegetableChatni Basanti pulaoGhee vatButter naan (1 pc)Dessert – Balushai randiSandeshTest vlo 🤤🤤🤤… Ami khawar er sathe manus er behavior o dekhi nd i am really happy for their service.Nd ha thali tah ghor er noe.. Ghor e toh etto thake na tai 1days er jnno dae.#thanks ❤️❤️ for making my mom’s birthday special…o hooo❤️🥂😘😘💕💐

ফ্রীতে বাংলার মানুষ খুব খুশী 😂😂😂 লোভে পাপ পাপে মৃত্যু 😭😭আজ খারাপ লাগছে কিন্তু আগামীদিনে বাংলার চিত্র বাস্তব হতে চলেছে🙏🙏🙏🙏🙏

ঝাড়গ্রাম-বেলপাহাড়ী (পর্ব-২)সন্দীপ পাল মধ্যাহ্নভোজ সেরে রওনা দিলাম ঘাগড়া জলপ্রপাতের উদ্দেশ্যে। বেলপাহাড়ী বাজার এলাকা থেকে ফলসটির দূরত্ব মাত্র ৫-৬ কিমি। সরু পিচ-রাস্তা একজায়গায় লালমাটির কাঁচারাস্তা হয়ে নিচের দিকে নেমে গেছে। খানিক দূরে সামনে দেখা যাচ্ছে একটি ছোট নদী, সমতলে স্থানীয় লোকজন স্নান করছে, কয়েকটা মোষ গা ডুবিয়ে বসে আছে। আর বাঁদিকের জমিটা পাথুরে – ঐদিকেই ঘাগড়া ফলস। ওই ঢালু জমিতে একটি গাছের নিচে গাড়ি পার্ক করে হাঁটতে শুরু করলাম। ওই ছোট নদীটির নাম তারাফেনি। সারাবছর তেমন জল না থাকলেও বর্ষাকালে জলের স্রোত থাকে তীব্র। নদীখাতে শক্ত পাথরের গায়ে গোল গোল বাটির মতো গর্তই তার প্রমান। হলদেটে ঘোলাটে জল বয়ে চলেছে নদীখাতে। এই তারাফেনি নদীই একজায়গায় তৈরী করেছে ঘাগড়া জলপ্রপাত। খুব বেশি উঁচু বা বড় নয় ফলসটি, তবে আলাদা একটা সৌন্দর্য আছে বৈকি। ঠিকই করে রেখেছিলাম এখানে স্নান করব, তাই সাথে গামছা, জামাকাপড় নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ওপরের দিকে পাথুরে নদীখাতে পা ডুবিয়ে দেখি, সেখানে দাঁড়ানো অসম্ভব, এতটাই জলের স্রোত। তাই খানিকটা নিচের দিকে নেমে এসে স্নান করলাম। নদীর জল বেশ ঠান্ডা, তার মধ্যে ঝিরঝির বৃষ্টি শুরু হল – সবমিলিয়ে ঘাগড়ায় স্নান করার অভিজ্ঞতাটা ছিল অনবদ্য। স্নান করে ঘাগড়াকে বিদায় জানিয়ে চললাম কাছেই খাঁদারানী বা খান্দারানী জলাধার দেখতে। ঘাগড়া থেকে খাঁদারানীর দূরত্ব ১৪ কিমি। মসৃন ৫ নং রাজ্য সড়ক থেকে একজায়গায় বাঁদিকে লালমাটির কাঁচারাস্তায় ঢুকতে হয় (ভিডিওতে দেখুন)। গ্রামের মধ্য দিয়ে সরু রাস্তা। বর্ষায় কিছুকিছু জায়গায় রাস্তার বেহাল অবস্থা। যাইহোক, বিকেল ৪টে নাগাদ জলাধারের সামনে পৌঁছলাম। খুব সুন্দর জায়গাটি। একপাশে বাঁধের ওপর ঢালাই ব্রীজ, দূরে সবুজ পাহাড়, আর মাঝে পরিষ্কার লেকের জলে ঠান্ডা হাওয়া খেলা করছে। কিছু সময় কাটিয়ে গাড়ীতে উঠলাম।দিনের শেষ গন্তব্যে পৌঁছতে এবার বেশ খানিকটা পথ পাড়ি দিতে হবে। এবার আমি যাচ্ছি বাঁকুড়ার ঝিলিমিলি হয়ে তালবেড়িয়া জলাধার দেখতে, খাঁদারানী থেকে যার দূরত্ব ২৭ কিমি। ওই ৫ নং রাজ্য সড়ক ধরেই চলেছি, রাস্তা মাখনের মতো মসৃন, আর দুপাশের সবুজ যেন ক্লান্ত হতেই দিচ্ছেনা। পথে একজায়গায় স্থানীয় দোকান থেকে গরম গরম সিঙ্গারা কিনলাম – তার স্বাদ ভাষায় প্রকাশ করতে পারবোনা। তালবাড়িয়া যখন পৌঁছলাম ঘড়িতে ৫:১৫ বাজে। পড়ন্ত বিকেলের আলোয় ঝলমল করছে জলাধারের চারিদিক। চারিদিক নিস্তব্ধ, আমরা দুজন ছাড়া আর কেউ নেই। দূরে ঘন সবুজ পাহাড়ি ভূমিরূপ, নীল আকাশে মেঘের আনাগোনা জায়গাটাকে এক অন্য মাত্রা দিয়েছে। অবশেষে বাড়ী ফেরার পালা। ঝিলিমিলি-রানীবাঁধ রোড ধরে গাড়ী এগিয়ে চলেছে। এই রাস্তাটির সৌন্দর্য্যও অসাধারণ। দুপাশে ঘন জঙ্গল, মাঝখান দিয়ে চলে গেছে কালো পিচরাস্তা। জানতাম সুতান ফরেস্ট খুব কাছেই, কিন্তু আজ আর হাতে সময় নেই। আবার আসা যাবে অন্য কোনো সময়ে। ফেরার সময় বাঁকুড়ার কোনো এক গ্রাম থেকে যে সূর্যাস্ত দেখলাম, বহুদিন মনে থাকবে। এরপর বাঁকুড়া-বিষ্ণুপুর-আরামবাগ হয়ে যখন বাড়ীতে ফিরলাম, রাত ১১টা বাজে।ভিডিও লিঙ্ক: https://youtu.be/Ts2t0UQQeg0খরচ: আমার গাড়ী মোটামুটি গড়ে প্রতি লিটারে ১৬ কিমি সার্ভিস দেয়। সেটা ধরে হিসেবে করলে ৫৩০ কিমিতে পেট্রল লেগেছে ৩৩ লিটার মতো, যাকে ১০২ টাকা (প্রতি লিটার পেট্রল মূল্য) দিয়ে গুন করলে দাড়ায় ৩,৩৭৮ টাকা। টোল চার্জ সবমিলিয়ে ২৪৫ টাকা। দুজনের মধ্যাহ্নভোজে খরচ হয়েছে ৩৩৫ টাকা। আর কনকদূর্গা মন্দিরে গাড়ী পার্কিং ফী ৫০ টাকা ও প্রবেশমূল্য মাথাপিছু ৫ টাকা। ব্যাস এটুকুই সর্বসাকুল্যে খরচ।পুনশ্চ: যারা কোথাও না থেকে দিনের-দিন কাছে-পিঠে ঘুরে আসতে চান, শুধুমাত্র তাদের সুবিধার জন্যই এই তথ্যবহুল পোস্ট। পছন্দ না হলে, পোস্টটি উপেক্ষা করে এগিয়ে যান, অবান্তর মন্তব্য করে নিজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের পরিচয় দেবেন না। যেহেতু আমি গাড়ীতেই গোটা ট্রিপটা করেছি, তাই ট্রেনে কিভাবে জায়গাগুলিতে পৌঁছতে হয়, নিকটতম স্টেশন, থাকার জায়গার সন্ধান – এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর আমার জানা নেই।ভিডিও লিঙ্ক: https://youtu.be/Ts2t0UQQeg0 প্রথম পর্বের লিঙ্ক: https://www.facebook.com/groups/207766536438011/posts/938591666688824

Indian athletes have displayed a stellar performance at #Tokyo2020 recording the country’s highest medal tally of 7 in the history of OlympicsThis journey will truly inspire young athletes to take up sports & proudly represent India 🇮🇳Onwards & upwards, all the best India!

History has been scripted at Tokyo! What Neeraj Chopra has achieved today will be remembered forever. The young Neeraj has done exceptionally well. He played with remarkable passion and showed unparalleled grit. Congratulations to him for winning the Gold. #Tokyo2020. Thanks mode je 🙏🙏🙏😘❤️

গতকাল ভোর সাড়ে ৫ টায় বের হয়ে৩৮ কিলোমিটার সাইক্লিং করেছিলাম, সিলেট শহর থেকে ৭/৮ কিলোমিটার দূরে গেলেই গ্রামের দেখা পাওয়া যায়! সাইকেল নিয়ে আমরা একটা নতুন চা বাগানের ভিতরে ঢুকে গিয়েছিলাম। এক বাগানে ঢুকে ট্রেইল রাইড দিলাম, পুরোটা মাটির রাস্তা শেষ করে রাবার বাগানের দেখা মিললো! এর পরে এই গ্রামের দেখা….সাইকেল ব্রেক করলাম, কি সুন্দর মাটির ঘর-বাড়ি,সামনে নিজেদের গরু রাখা, মোরগ ডাকছে…. ছিমছাম পুকুর, পুকুরে সবজির মাছা ও শাপলা, পুকের পাড়ে কলাগাছ, কদমফুল গাছ, ঝিরিঝিরি বাতাস বইছে…ডানে-বামে সবুজের সমারোহ চা বাগান….আমার কাছে ভীষণ ভালো লেগেছিল….সিলেট, বাংলাদেশ 🇧🇩

That’s Lal Chowk, Srinagar, Jammu & Kashmir😍. In 1992, Modiji was almost shot dead by terrorists, yet he unfurled the flag of India at this same spot. Today, after 2 years of the abrogation of article 370 and 35A, Lal chowk itself is transformed into a tricolor 😍🇮🇳🇮🇳🇮🇳.Lal chowk is decorated in tricolors, ahead of the 15th August celebrations😍❤🇮🇳. Jai Hind🇮🇳🇮🇳🇮🇳

আজ সন্ধ্যের পর থেকেই কলকাতা এবং হাওড়ার পেট্রোল পাম্পগুলি ড্রাই হতে শুরু করবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।#Petrol #diesel #petrolpump #Strike #protest #fuel #kolkata #tanker

🟡পাঁচমুড়া🟡।।টেরাকোটার গ্রাম।।🌱☘️টেরাকোটা বা পোড়ামাটির শিল্পদ্রব্য আদিম মানবসভ্যতার শিল্পপ্রচেষ্টার প্রতীক। বহুকাল ধরেই, প্রত্নতাত্ত্বিক খননকার্যের সময় প্রাপ্ত পোড়ামাটির শিল্পসামগ্রীর বিচারে প্রাচীন সভ্যতার কাল নির্ণয়ের প্রথা চলে আসছে। কারণ মৃৎশিল্পের বিশ্বজনীনকে আবেদনকে হস্তশিল্পের কাব্য মনে করা হয়। যদিও ধর্মীয় প্রথা ও অনুষ্ঠানের সঙ্গে এর সম্পর্কের আরও গভীরতর গুরুত্ব বিদ্যমান। ভারতে পোড়ামাটির শিল্পদ্রব্যের ঐতিহ্য বহু প্রাচীন। ভারতের বহু গ্রামে পবিত্র অশ্বত্থ গাছের তলায় পোড়ামাটির পশুর মূর্তি সাজানো থাকতে দেখা যায়। এগুলি গ্রামবাসীদের মনস্কামনা পূর্ণ হওয়ার প্রতীকস্বরূপ। আধুনিক কালে অবশ্য বাণিজ্যিকভাবে বিশ্ববাজারে স্থান পেতে মৃৎশিল্পীরা ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ বিমূর্ত শিল্পচেতনার সঙ্গে শহুরে রুচির মিলন ঘটিয়ে থাকেন।বাঁকুড়ার পোড়ামাটির ঘোড়া ও হাতি নির্মাণের প্রধান শিল্পকেন্দ্রগুলি হল পাঁচমুড়া, রাজাগ্রাম, সোনামুখী ও হামিরপুর। প্রত্যেক শিল্পকেন্দ্রের নিজস্ব স্থানীয় ধাঁচ ও শৈলী রয়েছে। এগুলির মধ্যে পাঁচমুড়ার ঘোড়াগুলিকে চারটি ধাঁচের মধ্যে শ্রেষ্ঠতম বলে মনে করা হয়।বাঁকুড়ার ঘোড়া এক ধরনের পোড়ামাটির ঘোড়া। পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার পাঁচমুড়া গ্রামে এই বিশেষ শিল্পদ্রব্যটি তৈরি হয়। এগুলি “সুরুচিপূর্ণ ভঙ্গি ও মৌলিক মূল্যবোধের অদ্বিতীয় বিমূর্তনের” জন্য নন্দিত। এগুলি মূলত গ্রাম্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের জন্য নির্মিত হলেও, আজকাল সমগ্র বিশ্বেই ভারতীয় লোকশিল্পের প্রতীক হিসেবে গৃহস্থালীতে শোভা পেয়ে থাকে। অল ইন্ডিয়া হ্যান্ডিক্র্যাফটস সংস্থার লোগোতেও বাঁকুড়ার ঘোড়ার ছবি ব্যবহৃত হয়।🔴নির্মাণপদ্ধতিসম্পাদনা🔴বাঁকুড়ার ঘোড়াগুলির অভ্যন্তরভাগ ফাঁপা হয়। এর বিভিন্ন অংশ পৃথক পৃথকভাবে কুমোরের চাকায় নির্মিত হয়। চারটি পা ও দীর্ঘ গলা দুটি অংশে এবং মাথাটি সাতটি অংশে নির্মিত হওয়ার পর সেগুলিকে এক সঙ্গে জোড়া দেওয়া হয়। অনেক সময় ফাটা অংশগুলি ঢাকতে বাড়তি মাটি দেওয়া হয়। পাতার মতো আকৃতিবিশিষ্ট কান ও লেজ কাঁচামাটি দিয়ে তৈরি করা হয়। পরে এগুলি মূল ঘোড়ার দেহের তিনটি গর্তে স্থাপন করা হয়। মূল মাটির ঘোড়াগুলি রোদে ফেলে শুকানো হয়। খানিকটা শুকানোর পরে বিভিন্ন অঙ্গ ঠিক ভাবে ঘোড়ার দেহে বসানোর জন্য দেহের ভিতরের ও বাইরের অংশের গর্তগুলি তৈরি করা হয়। এর উদ্দেশ্য হল, উভয় অংশকে সমভাবে শুকানো। উভয় অংশ সমভাবে না শুকালে ঘোড়ার দেহে ফাটল দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে। প্রথম দিকে ছয়-সাত দিন বন্ধ ঘরে শুকানোর পর এগুলিকে রোদে শুকানো হয়। শেষে এগুলিকে আগুনে পোড়ানো হয়।🟣বাঁকুড়ার পোড়ামাটির ঘোড়াগুলি সাধারণত দুই প্রকার রঙের হয়ে থাকে – লাল ও কালো। ঘোড়াগুলির ফাঁপা শরীর উনুনের মতো ব্যবহার করে এগুলি পোড়ানো হয়। অনেক সময় ঘোড়ার গায়ে ছিদ্র রাখা থাকে, যাতে পোড়ানোর সময় ধোঁয়া বাইরে বেরোতে পারে। এইভাবে পোড়ালে ঘোড়ার গায়ের রঙ হয় লাল। কিন্তু এই গর্তগুলির মুখ আটকে দিয়ে পোড়ালে ঘোড়াগুলি কালো রঙের হয়ে যায়।🌿গুরুত্বসম্পাদনা🌿রাঢ় অঞ্চলে স্থানীয় লৌকিক দেবতা ধর্মঠাকুরের পূজায় টেরাকোটা ও কাঠের ঘোড়া ব্যবহৃত হয়। অনেক গ্রামে বিভিন্ন দেবদেবীর কাছে গ্রামবাসীরা ঘোড়া মানত করে থাকেন। তবে ধর্মঠাকুরের কাছে মানত করার ব্যাপারটি লক্ষিত হয়, তার থানে বিভিন্ন আকারের পোড়ামাটির ঘোড়া সাজিয়ে রাখার মধ্যে দিয়ে।🍀আকারসম্পাদনা🍀বাঁকুড়ায় পোড়ামাটির হাতি ও ঘোড়া সাধারণত পটুয়ারা সৃষ্টি করে থাকেন। শতাব্দীর ব্যবধানের সঙ্গে সঙ্গে এই সৃষ্টি বাস্তব প্রতিমূর্তি সৃজন থেকে প্রতীকী সৃজনের পর্যায়ের উন্নীত হয়েছে। বিভিন্ন অঞ্চলের পটুয়া-শিল্পীরা এক এক রকমের পশুঅঙ্গ নির্মাণ করে থাকেন, যাতে সমগ্র পশুর দেহের বদলে অঙ্গগুলিই বিশেষভাবে প্রতিভাত হতে পারে।।।তথ্যঋণঃGoogle।।

বাবাজীবন এর সাথে অনেক দিন পর দেখা হল।।প্রায় দুই মাস খোঁজার পর একদিন সন্ধ্যার মুখে হঠাৎ দেখা।। I’d: Brown-fish Owl ( হুতোম পেঁচা )North 24pgs, West Bengal #photographychallenge #ThroughYourLens Nikon

14th centuryBhagwaan Ganesh ji’s murtibeautifully carved on Mahasthambha with Rani Chennamma paying respects, along with her consorts.The quaint temple town of Keladi is located about 8 km away from the town of Sagar in the Shimoga district of Karnataka, BHARAT (India) 🚩Known for the famous Rameshwara Temple, Keladi was once the capital of the Keladi rulers (or Nayakas), a feudatory of Vijayanagara Empire.विघ्नहर्ता श्री गणेशाय नमः 🙏🙏follow -Worldwide Hindu Temples ॐ for more ancient heritage posts#art#india#Keladi#SriGanesh#sculptureart#architecture#ancientindia#incredibleindia#karnatakatourism#worldwidehindutemples#architecturephotography

মানসাই পাড়ের গল্প ১৪মাথাভাঙা, কুচবিহার, প.ব মানসাই পাড়ের গোধূলি বেলার ধুসর গল্প।আজকের গল্প নবতিপর চরন দাস এর। মানসাই পাড়ের ত্রিকালদর্শী পুরুষ। আমার নিজের সবচাইতে প্রিয় চরিত্র। ওর গল্প ওর মুখেই শোনা যাক।”এইজ্ঞে আমার নাম চরনদাস।বয়স ঠিক করিয়া কবার না পাইম। হ‌ইবে ৯০/৯৫, একশোরও হবার পায়।গুষ্টি তো কাও নাই, বনুস মইচ্চে, একটা ছাওয়াও বাঁচি নাই। ছোট ভাইটা গেল বছর জলে ডুবিয়া মইচ্চে।ভাইয়ের বনুশ ভাত আন্দি দ‍্যায়।সকালে গরু ছ‍্যাকিয়া দুধ ব‍্যাচেয়া ভাত খায়া গরু ধরিয়া চড়তে আইসং। কুত্তা গিলার খিইব উৎপাৎ দুধের বাছুর গিলাক কামরেয়া নষ্টো করি ফ‍্যালায়।মোর তিনটা গরু একটা বাছুর একটা দাম্রী ভইচ্চে, আষারে বাচ্চা দিবে, একটা দুধ দ‍্যায় এক স‍্যার, পাইকার আসি ৪০ টাকা দিয়া ধরি যায়।করানো ? হোটা আরো কি !অয়য়য়য়….নক্ডাউনে…অ‍্যাশনে দুই স‍্যার চাউল পাইচং, আটা আলু কোন দ‍্যায় নাই।”________________________________________গত ২০২০ তে তোলা এই ছবি দেখে এবং ওর করুণ কাহিনী শুনে আমার এক বন্ধু ওকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে ছিলেন। Dev Hore

Frankly, this made us tear up too! Here’s a behind-the-scenes look at the absolutely priceless reactions of our commentators Siddharth Pandey & Sunil Taneja, who express the entire nation’s emotions with their commentary, making us all say, #MaaTujheSalaam!#Tokyo2020, LIVE till Aug 8 only on Sony Sports.#HumHongeKamyab #Cheer4India #SirfSonyPeDikhega

কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলা বন্যায় কবলিত। সালতোড়া বিধানসভার বিধায়িকা Chandana Bauri মেজিয়া মন্ডলের রামচন্দ্রপুর অঞ্চলে গিয়ে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন এবং তাদের পাশে থাকার বার্তা দেন।🙏❤🙏

ভদ্রলোক স্কুল লেভেলে ভালো হকি খেলতেন। দুন স্কুলের হকি টিমের এই দুর্দান্ত গোলকিপারটি গোল হয়তো করেন নি কিন্তু নিশ্চিত গোল অনেক বাঁচিয়েছেন। ভারতীয় হকি টিমের পিছনে দাঁড়িয়ে, নিঃশব্দে সেই ভদ্রলোকই আরেকবার ভারতীয় হকিকে নিশ্চিত গোল খাওয়া থেকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেলেন। ৭৪ বছরের বৃদ্ধ, দুন স্কুলের প্রাক্তন গোলকিপারটির নাম নবীন পাটনায়েক। হ্যাঁ, ঊড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পাটনায়েক। ‎২০১৭-র পরে ভারতীয় হকি স্পন্সরশিপের অভাবে ধুঁকছিল। ততদিনে ভারতীয় হকির “মৃত্যু” ঘোষণা হয়ে গেছে তাই স্পনসররা সবাই ক্রিকেটের পিছনে ছুটছে। সেই দুর্দিনে এগিয়ে এসেছিলেন একমাত্র নবীন পাটনায়েক। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি ঘোষণা করে দেন পরবর্তী ৫ বছরে ভারতীয় মেন্স এবং ওমেন্স হকি টিমের সব খরচ বহন করবে ঊড়িষ্যা সরকার। এছাড়া ১৫০ কোটি টাকা খরচ করা হবে হকির ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্টের জন্য। ‎এক সাংবাদিক সে ঘোষণা শুনে প্রশ্ন করেছিলেন ঊড়িষ্যার মতো গরিব রাজ্যর পক্ষে এই বিপুল খরচ একটু বাড়াবাড়ি নয় ? তাও আবার হকির মতো একটি “মৃতপ্রায়” খেলায় ! নবীনবাবু উত্তরে বলেছিলেন “আমি তো হকিতে ইনভেস্ট করছি না। আমার ইনভেস্টমেন্ট ভারতীয় ক্রীড়া প্রেমী যুবক-যুবতীদের ভবিষ্যতে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস তারা আমাকে হতাশ করবেন না।” ‎হতাশ করেননি মনজীৎ সিং, রানী রামপালরা। হতাশ করেননি ঊড়িষ্যার ছেলে মেয়েরাও। অলিম্পিকে সাড়া ফেলে দেয়া ভারতীয় হকির পুরুষ এবং মহিলা দলের ভাইস ক্যাপ্টেন, দুজনেই ঊড়িষ্যার – বীরেন্দ্র লাকরা এবং সবিতা পুনিয়া। ‎শুধু ১৫০ কোটি টাকা ইনভেস্ট করেই থেমে যাননি নবীন পাটনায়েক। নিজের উদ্যোগে আরো ১০০ কোটি টাকার স্পনসরশিপ জোগাড় করে এনেছেন। রাউরকেল্লায় ২০,০০০ দর্শকের জন্য হকির একমাত্র স্টেডিয়ামটি তৈরী করছেন। টাটা গ্রুপের সঙ্গে কোলাবোরেশনে ভুবনেশ্বরে বানিয়েছেন ভারতে হকির একমাত্র হাই পারফরমেন্স সেন্টারটি। কলিঙ্গ হকি কমপ্লেক্সে ২০০ সেরা হকি প্রতিভা এবং সারা দেশে ২৫০০ উঠতি হকি খেলোয়াড়ের ট্রেনিংয়ের দায়িত্ব নিয়েছে ঊড়িষ্যা সরকার। ২০১৮-র হকির ওয়ার্ল্ড কাপ, ২০১৪-র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হয়েছিল ঊড়িষ্যায়। ২০২৩-এর হকি ওয়ার্ল্ড কাপও হবে ঊড়িষ্যায়।‎অলিম্পিকে তিন বারের সোনা জয়ী পাকিস্তান হকি টিমের এখন করুন অবস্থা। তারা অলিম্পিকে খেলার যোগ্যতাও অর্জন করতে পারে না। পাকিস্তানের সোনা জয়ী এক প্রাক্তন হকি প্লেয়ার গতকাল দুঃখ করে বলেছেন “আমাদের দেশে যদি একজন নবীন পাটনায়েক থাকতেন !” ‎ভাগ্যিস আমাদের একজন নবীন পাটনায়েক আছেন। আর ভাগ্যিস তিনি ছোটবেলায় হকি খেলতেন – ক্রিকেট নয় ! ভারতীয় হকির পুনর্জাগরণের “কবীর খান” তিনিই। আমাদের ফোর্থ পজিশন, ব্রোঞ্জ মেডেল গুলো হয়তো আরেকটু ঘষলেই সোনা, রুপো হয়ে যাবে !‎চাক দে, ইন্ডিয়া ! —- © আশাভরী সেন

ভারতবর্ষের মুকুটে নুতন পালকের সংযোজন ।দীর্ঘ ৪১ বছর পর, অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পেল ভারতীয় হকি দল। আন্তরিক শুভেচ্ছা ।#Cheers4IndianHockeyTeam

Located in Dhaka, Bangladesh, this ancient Kali Mandir was destroyed by the Pakistani Army, during the 1971 war, under operation “Searchlight”. Thanks to the Ministry of External Affairs(MEA) under the Modi government and the co-operation of the Sheikh Hasina government of Bangladesh, this temple is getting rebuilt with funds from the Government of India. This the site of the famous “Sanyasi Rebellion” against the British East India Company back in the 1800’s. Jai Maa Kali🙏🕉🚩@Rihav Bhowmick

Such Fine details ! Natya Saraswati 💓The most delicate, intricate yet grandeur displays of medieval arts in the form of Sculptures.🤩The rich artistic form of stone carvings in #Hoysaleswara temple, Halebidu, Karnataka 🚩Built in 1120 AD, the Hoysaleswara temple of Halebidu is a in true sense a gallery of artwork. The instant sculpture of Goddess Saraswati has somewhat different creative sense from the traditional depiction of the Goddess holding a lute in hand while sitting upon a swan. Also notice the beads of japamala in the finger ! Showing the Higher level of intricate Craftsmanship ! 😍Halebidu has the finest of Indian Sculptural heritage.Here we see the Goddess in dancing mood with four hands, holding Vedas (holy book), Veena (lute), Kalasa (water pot) and Mala (garland) respectively signifying wisdom, music, purity and meditative senses. The goddess Saraswati had been used significantly in Hoysala art and in most of the Hindu temples in India during 8th to 12th centuries AD.Hindu Gods and Goddesses have traditionally been portrayed carrying various weapons. These weapons do not represent violence; they are symbolic of destroying the evil forces present within and around us.Although uncommon, even Sarasvati, the Goddess of wisdom, is depicted with weapons in hand, in several temples across India. A well known example of a sculpture of Sarasvati carrying weapons is from 12th century Hoysaleswara temple in Halebidu, Karnataka. Here is a 10-armed Sarasvati standing on her vehicle (vahana) Hamsa. She carries a mala and a book along with several weapons. She is depicted in a dancing form.This form of Sarasvatī known as Nāṭya Sarasvatī is typically shown carrying weapons. #THGAG #thehindugodsandgoddesses ♥️

দোস্ত, আজকে প্রমিস ডে। আজকে তোর সামনে একটা প্রমিস করলাম,কখনো তোকে ভুলে যাবোনা,তুই যতো দূরে থাকিস না কেন,তুই আমার বুকের বাম পাশেই থাকবি। Mis you 💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚💚 ম্যাসেজটি তোর সেইসব বন্ধুকে পাঠা যে হারামী গুলোকে কখনো হারাতে চাস না।.:আমাকেও পাঠাতে পারিস।যদি আমি তোর বন্ধু হই😘😘😘😘😘

ভ্রমণ পিপাসু হিসেবে অফবিট ভ্রমন সবসময় আমার নজর কারে। একটি চেনা জায়গাকেও একদমই অচেনা ভাবে দেখার নেশাই আলাদা হয়। তেমনই আমাদের সুপরিচিত পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে আসলে দেখা যাবে এমন এক জায়গা, যেখানে মিলেমিশে গেছে প্রকৃতি ও পুরাণ। হ্যাঁ বন্ধুরা, অযোধ্যা পাহাড়ের একটি নামকরা দ্রষ্টব্য – ময়ূর পাহাড় থেকে মাত্র ১ কিমি দুরত্বে পাবেন ‘সীতাকুন্ড’। বিজ্ঞান মতে একটা আটিযেয় কূপ হওয়ার ফলে এর মধ্যে থেকে অবিরাম নির্গত হয় স্বচ্ছ শীতল পানি, যা নানান কাজে ব্যবহার করেন এখানকার স্থানীয় বাসিন্দারা। পুরাণে কথিত, শ্রী রামচন্দ্র বসবাসের যাওয়ার সময় সীতা দেবীর তৃষ্ণা নিবারনের জন্য এক পাতালভেদী বাণ নিক্ষেপ করেছিলেন এখানে, যার পর থেকেই নির্গত হচ্ছে এই জল। দেখলে খুবই অবাক হবেন প্রকৃতির এই সাবলীল খেলা। ঝড়-ঝঞ্ঝা ইত্যাদি প্রকৃতির এই দীর্ঘ তান্ডব উপেক্ষা করেও অনর্গল নির্গত হয়ে চলেছে পরিস্কার শীতল পানি, যা আজও উপকারে লাগছে এখানকার এলাকাবাসীর। সুতরাং, আশা করি এই পোস্টটি অনেকের কাজে লাগবে।আরও বিশদে একটি মানসভ্রমনের জন্য সম্পূর্ণ ভিডিওটি নীচে দেওয়া এই লিঙ্ক এর মাধ্যমে দেখতে পারেন। 👇 👇https://youtu.be/oaPXrlxbnBI

জায়গায় অভাবে পাতা বাহার করি না… কিন্তু সেই দুঃখ ভুলিয়ে দিয়েছে আমার জলজ গাছের পাতারা❤️❤️❤️❤️মোজাইক গাছ ও শাপলা পাতা❤️

Aghoramurthy Shiva at Srikanteshwara Temple in Nanjangud, Karnataka, BHARAT (India) 🚩 Pairs of hands, 30 different weapons and tools. The original master of disaster who decided to save the world by neutralizing a disastrous chemical. Who is he?Credit – Praveen Mohan#India #hindu #hinduism #harharmahadev #mahadev #mahakal #jaishreemahakal #bholeshankar #templearchitecture #ancientindia #hiddenstory #ancientcarvings #indiangods #hindugods #incredibleindia #art #incredibleindia #karnataka#architecturephotography #worldwidehindutemples 🌟🌟🌟Support us through buying from our link on Amazon (without paying the extra) 🤗🔻🔻www.amazon.in/shop/worldwidehindutemples

‘আত্মা’ প্রকল্পের মাধ্যমে চাষিদের পাশে রাজ্য সরকার ৷ অন্যান্য জেলার পর এবার দক্ষিণ 24 পরগনায় ধানচাষের উন্নত মেশিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করল রাজ্য সরকার ৷#AtmaProject #agriculture#ETVBharatWestBengal

আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশবৃষ্টি তোমাকে দিলাম……নীল টগর বনসাই

These are not tears, but aspirations, commitment, inspiration & resolve to do well.These are signs that the Golden Days of #WomensHockey in India are ahead!Don’t get disappointed Girls, Entire Nation🇮🇳 is Proud of you 🙏#HockeyIndia #Cheer4India #TokyoOlympics #IndiaKaGame #Tokyo2020 #TeamIndia #StrongerTogether #WeAreTeamIndia #Hockey🙏

এখন চারিদিকে জলে ডুবে গিয়েছে,সবাই মাছ ধরতে নেমে পড়েছে।এই ক্ষুদে জেলেও তাই ছোটো জাল নিয়ে মাছ ধরতে নেমে পড়েছে।স্হান-হাজরাতলাবসিরহাটজেলা-উত্তর ২৪ পরগণা

Kolkata to Ladakh সাইকেল নিয়ে কলকাতার দুই ছেলে❤️🚲-Sajal Baul🚲–Biplob DasHappy journey 💓 #rcb Best of luck 🙏Sault Tomader 🙏YouTube- https://youtube.com/channel/UCBKA4kpmfxPV19N-wQJqhCAসবাই Support করুন।🙏

“আজ অযোধ্যায় ঐতিহাসিক রাম মন্দির স্থাপনের দিন”।‌ ধন্যবাদ মোদীজী।#শ্রী_রামচন্দ্রের পূজনের জন্য আজকের দিনে অন্যায়ভাবে আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।#জয়শ্রীরাম

জল নয়, মঙ্গলে বইছে অন্য কোনও তরল! Radar-এ ধরা পড়ল নতুন সংকেত, দাবি বিজ্ঞানীদের

This is from village Kolanupaka of Yadagiri, District Telangana, BHARAT (India) 🚩Dedicated to Bhagwan Shiv The temple Someswara in Chalukya architectural style was built during 1070-1126 CE #templesofindia #temple💐💐💕🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏🙏

Create your website with WordPress.com
Get started